এযাবৎ 940 টি ভুক্তি প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলা

প্রকাশিত ভুক্তি 940 টি।

এ পাতায় আছে 44 টি।

অইসন [সংস্কৃত ঈদৃশ; অতি প্রাচীন বাংলা আইস, “আইস ভাবে; আইস সংবোহেঁ কো পতি- আই” চর্যাপদ ২৯।১) আইসো। ঐছন দ্রষ্টব্য] বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ঈদৃশ; এতাদৃশ। ‘অইস সহাব’ — চর্যাপদ ৪১।৫; দোহা ১০৭, ইত্যাদি
অইসে বানানভেদ অইসেঁ, অইসো [সংস্কৃত ঈদৃশ; অতি প্রাচীন বাংলা আইস, “আইস ভাবে; আইস সংবোহেঁ কো পতি- আই” চর্যাপদ ২৯।১) আইসো। ঐছন দ্রষ্টব্য] বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ঈদৃশ; এতাদৃশ। ‘অইস সহাব’ — চর্যাপদ ৪১।৫; দোহা ১০৭, ইত্যাদি
অক [প্রাচীন বাংলা। তুলনামূলক ‘অকু’] বিশেষ্য এই স্থান। ‘অক ছাড়িয়া রাজা নিজায় গমন।’ — ধর্ম্মমঙ্গল, মাণিক গাঙ্গুলী
অক [সংস্কৃত অগ, অঘ, ইংরেজি ache] বিশেষ্য রোগ; পাপ; অশান্তি; ক্লেশ [বাংলায় প্রয়োগ অভাব বা বিরল প্রয়োগ] ক্রিয়া [অক্ বক্র গমনে] বক্রভাবে গতি করা বা বৃদ্ধি পাওয়া। আঁকাবাঁকা (দ্রষ্টব্য)।
অক [তুর্কী অক-বাবা। “a fabulous bird of the vulture kind which lives 1000 years.” — Herbelot quoted by Brewer] বিশেষ্য ইসলামীয় পুরাণ ও গল্পের মহাকায় পক্ষী বিশেষ। তুলনামূলক – বক পাখী (আলাদিনের গল্প)।
অকটকিনা [প্রাদেশিক ব্যবহার বা অর্থে। তুলনামূলক – হিন্দি কট্‌কনা; ওড়িয়া – কটুকনা; হিন্দি কঠিনাঈ অর্থে কাঠিন্য, কড়াক্কড়। কটকিনা দ্রষ্টব্য] বিশেষ্য অকটকেনা; কঠোর বা কড়াকড়ি নিয়মের অভাব; বাঁধাবাঁধি নিয়ম বা ধরাকাট না থাকার ভাব; অকঠোরতা; অপ্রতিবন্ধ। বিশেষণ অকঠোর; অকঠিন; অকর্কশ।
অকন [সংস্কৃত ক্ষণ>] ক্রিয়া-বিশেষণ এখন; এই সময়ে ৷ ‘খাঁ সাহেবের কাছে এই সতীপণার যা শুনাতে হয় তা হবে অকন৷’ মীর মশাররফ হোসেন, ১৮৬৯।
অকাজ [সংস্কৃত ন = অ (অপ্রশস্ত, অন্যায়) কাজ, অকার্য] বিশেষ্য, অন্যায়; অকর্ম। ‘না শুনিলে মোর বোল হইব অকাজ৷’ বড়ু চণ্ডীদাস, ১৫৭০; ‘যত করে মুসলমান সকলি অকাজ।’ — অন্নদামঙ্গল (ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর) অনর্থ। ‘না দেখিয়া ছিনু ভাল। দেখিয়া অকাজ হল, না দেখিলে প্রাণ কেন কান্দে।’ — চণ্ডীকাব্য, মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, ১৬০০। বৃথা; অর্থহীন কাজ। ‘আমার দিন অকাজেই গেল৷’ লালন শাহ, ১৮৯০। অসত্কার্য; কুকর্ম। ‘অকারণে অকাজ লয়ে ঘাড়ে অসময়ে অপথ দিয়ে যান।’ — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফালতু কাজ৷ ‘সাহিত্য রচনা করা তাঁদের মতেই অকাজ।‘ প্রমথ চৌধুরী, ১৯১৭। কর্মহীনতা। ‘কেউ দেখছে অকাজকে সুন্দর।‘ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯২৫।বিশেষণ, অকাজিয়া, অকাজুয়া – অকেজো।
অকাট [সংস্কৃত অকা, অক্কট, আকাট] বিশেষণ, মূর্খ; গণ্ডমূর্খ; কাটমূর্খ।
অকাট [সংস্কৃত অকাট্য>] বিশেষণ, অখণ্ডনীয়। ‘অকাট সত্য।‘ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, ১৯২০।
অকাটা [প্রাদেশিক। আকাটা (দ্রষ্টব্য)। অ (না) + কাটা (কর্তিত) যা কাটা হয়নি বা যা খণ্ডিত নয়] বিশেষণ, অকর্তিত; অখণ্ডিত; আস্ত; গোটা। প্রয়োগ — অকাট শুপারী।
অকাট্য [সংস্কৃত অকাষ্ট] বিশেষ্য, মূর্খতা৷ ‘অকাট্য করিস তুই অপজসি হইব মুই।‘ কবীন্দ্র, ১৬৮৯৷
অকাট্য [সংস্কৃত, প্রাদেশিক, ন = অ (না) – কাট্য (প্রাকৃত — কট্ট ধাতু) = কর্তনীয় বা কর্তনসাধ্য – যা কাটা উচিত নয় বা কাটা যায় না] বিশেষণ, অখণ্ড্য; অখণ্ডনীয়; যা খণ্ডন করা উচিত নয় বা যা অবহেলা করা যায় না। ‘উপর্য্যুক্ত মনীষিগণের … অকাট্যযুক্তি-সংবলিত প্রমাণপ্রয়োগের উপরি প্রতিষ্ঠিত।‘ অক্ষয়কুমার দত্ত, ১৮৫৪। দৃঢ়। ‘ভাবনা ও প্রকাশের মধ্যে যেরূপ অকাট্য সম্বন্ধ কল্পনা ও কাজের মধ্যে কি ঠিক তেমনি নহে।‘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৮৮০। কাটা যায় না এমন। ‘খর মাঞ্জায় বোতলচুর কতটা মেশাশে সুতো অকাট্য হয়৷’ প্ৰমথ চৌধুরী, ১৯৩১৷ 8 যুক্তিপূর্ণ৷ ‘আপাতস্বাচ্ছন্দ্যও একটা অকাট্য পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত৷’ সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, ১৯৪০।
অকার [সংস্কৃত অ + কার (স্বার্থে)] বিশেষ্য, স্বরবর্ণের আদ্যক্ষর – ‘অ’। ‘অ’ এই শব্দ বা ধ্বনি। ‘অকার হকার বর্ণে আকার সংযুক্ত। রামপ্রসাদ সেন, ১৭৮০। ব্রহ্মা। ‘অকার কেবল ব্রহ্ম একাক্ষর কোষে।’ — অন্নদামঙ্গল, ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
অকোট [সংস্কৃত] বিশেষ্য শুপারি বৃক্ষ [প্রচল অভাব]।
অকোপ [প্রাচীন বাংলা] বিশেষ্য ক্রোধাভাব। বিশেষণ অকোপন; অক্রোধ; ক্রোধহীন; শান্ত। ‘অকোপ হআঁ মোর অবস্থা দেখ।‘ শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, বড়ু চণ্ডীদাস, ১৪৫০। ক্রিয়াবিশেষণ, ক্রোধ না করিয়া। স্ত্রীলিঙ্গ, অকোপা। বিশেষণ অকোপী, অকোপিনী।
অক্কট [তুলনামূলক – আকাট। বৌদ্ধযুগের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। ‘অকটেতি আশ্চর্য্যং।’ (চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয় পদের টীকা), ‘অক্কট ইত্যাশ্চর্য্যং’ (অদ্বয় বজ্র কৃত টীকা)] বিশেষণ অকট; আশ্চর্য। ‘অকট করুণা ডমরুলি বাজঅ,’ ‘অক্কট পণ্ডিঅ,’ বৌদ্ধ গান ও দোহা চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয় ৩১।২।
অক্ষজন [ইংরেজি Oxygen] বিশেষ্য বর্ণগন্ধস্বাদহীন; প্রাণবায়ু; অম্লজান; দহক; oxygen. ‘অক্ষজন দেওয়া’; ‘অক্ষজন দিয়ে রোগীকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে।’
অক্ষণবেধী [বৌদ্ধ বাংলা। অক্ষণা (ক্ষণ-প্রভা) বেধী (লক্ষ্য ভেদী] বিশেষণ, যার শর লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না; যে বিদ্যুতের আলোকে লক্ষ্য বেধ করিতে পারে; ক্ষিপ্রহস্ত; লঘুহস্ত।
অক্ষরে অক্ষরে ক্রিয়াবিশেষণ অক্ষরে পালন করা; উপদেশ বা আদেশমত কার্য্য করা, তার কিঞ্চিন্মাত্রও অন্যথা না করা; পুরোপুরি। ‘সকল লোকেই যদি তাহাই অক্ষরে অক্ষরে সত্য বলিয়া শিরোধার্য করিয়া লয়।‘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৮৮৪। বর্ণে বর্ণে। ‘এমন লেখা লেখবার শক্তি কেন আমাকে দিলেন না বিধাতা যার অক্ষরে অক্ষরে ফেটে পড়ত রক্তবর্ণ আগুনের ফোয়ারা।‘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯২৬। হুবহু। ‘ফেলে তার অক্ষরে অক্ষরে পঙ্কলিপ্ত চিহ্নের বিকার।‘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৪১।
অখট্টি [গ্রাম্য আখুটি] বিশেষ্য শিশুর আবদার; ছেলেদের দুরন্তপণা।
অখদ্যে [সংস্কৃত অখাদ্য] বিশেষণ খাদ্যের অযোগ্য। অকর্মণ্য; অকার্যকারী।
অখদ্যে-অবদ্যে [সংস্কৃত অখাদ্য>অখদ্যে + অবদ্যে (অবাদ্য = অকথ্য)] বিশেষণ যা এত অপকৃষ্ট যে স্পর্শযোগ্য নহে এবং কহতব্যও নহে; যা মুখে দিবার নয়; মুখে আনিবারও নয়; যা কোনই কাজে লাগে না। ‘এমন অখদ্যে অবদ্যে জিনিষও কিনিতে আছে।’
অখন তাগাতে [প্রাচীন বাংলা] ক্রিয়াবিশেষণ এখন থেকে। মানোএল দা আসসুম্পসাঁও, ১৭৪৩।
অখনে [প্রাচীন বাংলা] ক্রিয়াবিশেষণ এক্ষণে। ‘অখনে হইল পদ্মার অষ্ট যে কুমার।‘ বিজয় গুপ্ত, ১৬৫০।
অখনেহ [প্রাচীন বাংলা] ক্রিয়াবিশেষণ এখনও। ‘অখনেহ গুণী বিচারিলে জ্ঞান পাএ।‘ সৈয়দ আলাওল, ১৬৮০।
অগই [প্রাদেশিক] বিশেষ্য এক জাতীয় ফলের গাছ Dillenia scabrella.
অগন্তি [সংস্কৃত – অগণিত, গ্রাম্য – অগুন্তি। ন = অ-গণতি (গণনা) যার – বহুব্রীহি সমাস] বিশেষণ যা গণা যায় না; অগণতি; অসংখ্য; অত্যধিক।
অগরী [সংস্কৃত অগুরু] বিশেষ্য বৃক্ষবিশেষ; দেবতাড় বৃক্ষ।
অগল [প্রাচীন বাংলা আগল] বিশেষণ অগ্রসর। দক্ষ। পদ্ম পুরান (বিজয়)।
অগা, অঘা [সংস্কৃত অজ্ঞ, অজ্ঞান অপভ্রংশ অগা = অঘা] বিশেষণ বোকা; নির্বোধ; মূর্খ; অপদার্থ। ‘বাবুরাম অগা অতি হইয়াছে ভীমরথী।‘ আলালের ঘরের দুলাল, প্যারীচাঁদ মিত্র, ১৮৫৮; ‘অগা চুঙ্গিওয়ালাও বুঝতে পারত এগুলোর মালিক বাস্তুভিটার তোয়াক্কা করে না।‘ সৈয়দ মুজতবা আলী, ১৯৫৮।
অগাকান্ত [শ্লেষ বা প্রচ্ছন্ন স্নেহযুক্ত তিরস্কার] বিশেষ্য, বিশেষণ, নির্বোধ; বোকা; অকর্মণ্য।
অগাগি [সংস্কৃত অঙ্গাঙ্গি, অঙ্গের সহিত অঙ্গের যোগবোধক। প্রাচীন কবি প্রয়োগ] বিশেষ্য, অঙ্গাঙ্গি; সঙ্গ; co-ordination.
অগাচণ্ডি, অগাচণ্ডী [শ্লেষ বা প্রচ্ছন্ন স্নেহযুক্ত তিরস্কার] বিশেষ্য, বিশেষণ, অগা; অঘা; নির্বোধ; বোকা; অকর্মণ্য।
অগাদ [সংস্কৃত অগাধ] বিশেষণ অতল। ‘অগাদ সলিলে ভাসে বিচিত্র কানন।‘ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, ১৬০০।
অগাধ জলে পড়া [বাগধারা] ক্রিয়া ভীষণ বিপদে পড়া। ‘পড়িনু অগাধ জলে।‘ জ্ঞানদাস, ১৬০০; ‘সে একেবারে অগাধ জলে পড়ল।‘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯১৫।
অগাধ জলের মকর [বাগধারা] বিশেষ্য অতিশয় চালাক ব্যক্তি; গভীর জলের মাছ। ‘রাই আমার চলে যেতে ঢলে পড়ে, অগাধ জলের মকর যেমন।‘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯১৫।
অগান [বাংল অ+গান] বিশেষ্য সুর তাল লয় ঠিক নেই এমন গান; যা গান হয়নি। ‘তা সে গান অগান যাই হোক।‘ মাহেনও পত্রিকা, ১৯৪৯।
অগামারা [অগা (অজ্ঞতা) মারা (= মরা = হত, প্রাপ্ত, গ্রস্ত, মগ্ন = অজ্ঞানহত বা অগামরা = অজ্ঞতামরা। তুলনামূলক অগা (অগা হয়েইত মরেছে)। তুচ্ছার্থক তিরস্কার] বিশেষ্য, বিশেষণ, অগা; অঘা; নির্বোধ; বোকা; অকর্মণ্য।
অগারাম [শ্লেষ বা প্রচ্ছন্ন স্নেহযুক্ত তিরস্কার] বিশেষ্য, বিশেষণ, নির্বোধ; বোকা; অকর্মণ্য।
অগা, অঘা [সংস্কৃত অজ্ঞ, অজ্ঞান অপভ্রংশ অগা = অঘা] বিশেষণ বোকা; নির্বোধ; মূর্খ; অপদার্থ। ‘বাবুরাম অগা অতি হইয়াছে ভীমরথী।‘ আলালের ঘরের দুলাল, প্যারীচাঁদ মিত্র, ১৮৫৮; ‘অগা চুঙ্গিওয়ালাও বুঝতে পারত এগুলোর মালিক বাস্তুভিটার তোয়াক্কা করে না।‘ সৈয়দ মুজতবা আলী, ১৯৫৮।
ক অক্ষর গোমাংস [বাগধারা] যে বর্ণমালান্তর্গত বর্ণের আদ্যক্ষর ‘ক’ও কখন অস্পৃশ্য গোমাংসের ন্যায় মুখে আনেনি, অর্থাৎ বর্ণমালা স্পর্শও করেনি; বিদ্যাহীন; মূর্খ।
-ঞঁ [যেঁ = ত্রঁ = তে = হিন্দি নে (সকর্মক ক্রিয়ায় কর্তৃবাচক শব্দের প্রত্যয়) = হিন্দি সে = বাংলা হতে, দিয়ে। প্রাচীন বাংলায় প্রায় সকল বিভক্তির রূপ। শ্রীকৃষ্ণ কীর্তনে) -মাঞঁ (মা), তোঞ (তুমি), রতীঞঁ (রতি-হেতু), সুরতীঞঁ (সুরত দ্বারা), যুগতীঞঁ (যুক্তিতে)। ‘রাহুঞঁ (= রাহু) গিলল যেন চাঁদ সুধাকর’ শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, বড়ু চণ্ডীদাস, ১৪৫০; ‘এবেঁ দৈবকীঞঁ যত গবৃর্ভ ধরিব।‘ বড়ু চণ্ডীদাস, ১৪৫০।
ঞেঁ [= এঁ] উত্তম পুরুষ বিভক্তি। মোঁঞে = মোএঁ = আমি। ‘এড় ঘর যাঞোঁ মোঞেঁ শকতি না কর।’ শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, বড়ু চণ্ডীদাস, ১৪৫০।
ঞোঁ [প্রাচীন বাংলা] উত্তম পুরুষ ক্রিয়া বিভক্তি। যাঞোঁ = যাই। ‘এড় ঘর যাঞোঁ মোঞেঁ শকতি না কর।’ শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, বড়ু চণ্ডীদাস, ১৪৫০।
ঞ্যন্ত [ঞি + অন্ত] বিশেষণ ঞি এই প্রত্যয় যে শব্দের অন্তে আছে; ণিজন্ত প্রত্যয়। বিশেষ্য ঞি-প্রত্যয়ান্ত শব্দ।
টই, টুঁই [সংস্কৃত তুঙ্গ] বিশেষ্য চালের মটকা।
টুঁইভুঁই [সংস্কৃত তুঙ্গ ও ভূমি] বিশেষ্য মটকা ও ভূমি; মটকাভূমি; ভূমি হতে চালের মটকা বা মটকা হতে ভূমি পর্যন্ত।
Scroll Up
WhatsApp chat