web analytics
এযাবৎ 804 টি ভুক্তি প্রকাশিত হয়েছে।
পৌরাণিক

প্রকাশিত ভুক্তি 804 টি।

এ পাতায় আছে 5 টি।

অক্ষৌহিণী [সংস্কৃত অক্ষ (গজাদি) + উহিনী (সংখ্যাকারিণী; নির্ণয়কারিণী। – উহ (বিতর্ক করা) + ইন্ (কর্তৃবাচ্য) – স্ত্রীলিঙ্গ ঈপ্। অশ্বগজাদির সংখ্যাকারিণী; ষষ্ঠী তৎপুরুষ] বিশেষ্য (হিন্দুপুরাণ) ২,১৮,৭০০ জন সৈন্যের দল; চতুরঙ্গিণী সেনার সংখ্যাভেদ; যে সেনাদলে ১০৯৩৫০ পদাদি, ৬৫৬১০ অশ্ব, ২১৮৭০ হস্তী ও ২১৮৭০ রথ — মোট ২,১৮,৭০০ সৈন্য থাকে। ‘মহা সাহসিক মণি পঞ্চদশ অক্ষৌহিণী।‘ সৈয়দ আলাওল, ১৬৮০। বিশেষণ অসংখ্য। ‘ত্র্যম্বক-পিনাকে তব শঙ্কাকুল ছিল সদা শত্রু অক্ষৌহিণী।‘ হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ১৮৭০।
[১ হস্তী, ১ রথ, ৩ অশ্ব ও ৫ পদাদি = ১ পত্তি, ৩ পত্তি = ১ সেনামুখ, ৩ সেনামুখ = ১ গুল্ম, ৩ গুল্ম = ১ গণ, ৩ গণ = ১ বাহিনী, ৩ বাহিনী = ১ পৃতনা; ৩ পৃতনা = ১ চমূ, ৩ চমূ = ১ অনীকিনী, ১০ অনীকিনী = ১ অক্ষৌহিণী। স্বতন্ত্র স্বতন্ত্র সেনাদলের অধ্যক্ষ স্বতন্ত্র স্বতন্ত্র নামে অভিহিত – পত্তিপতি, সেনামুখনেতা, গুল্মনায়ক, গণনায়ক, বাহিনীপতি, পৃতনাপতি, চমূপতি, অনীকিনীপতি, অক্ষৌহিণীপতি এবং সকলের উপর সেনাপতি (Commander-in-chief)]।
অক্সিজেন বাষ্প বিশেষ্য অক্সিজেন নামক গ্যাস। ‘বাতাসে অক্সিজেন বাষ্প যে আছে এ তাঁরা জানতেন।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯০৭।
অগস্তি [সংস্কৃত অগ (পর্বত)- স্তৈ (স্তম্ভিত করা) + অ (কর্তৃবাচ্য) যিনি সূর্যাদির গতি রোধকারী বিন্ধ্য পর্বতকে স্তম্ভিত করেছিলেন; দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস] বিশেষ্য অগস্ত্য; বেদ ও পুরাণে উল্লিখিত স্বনামখ্যাত মুনি; উর্বশীর উদ্দেশে মিত্রাবরুণনিষিক্ত তেজ হতে কুম্ভমধ্যে সম্ভূত খর্বাকৃতি মহর্ষি; পত্নী লোপামুদ্রা। (রামামায়ণ)। বিন্ধ্যপর্বত বর্ধিত হয়ে সূর্যের গতিরোধ করার উপক্রম করলে, তিনি বিন্ধের নিকট উপস্থিত হন, বিন্ধ্য স্বীয় গুরুকে নত হয়ে প্রণাম করলে, মুনি বলেন – ‘যাবৎ আমি প্রত্যাবৃত্ত না হই তাবৎ তুমি এই অবস্থায় থাক।’ এই বলে তিনি ভাদ্রমাসের প্রথম দিন দক্ষিণাপথে প্রস্থান করেন, আর ফিরেন নি। কেউ কেউ এই ঘটনাকে আর্যকর্তৃক বিন্ধ্য অতিক্রম করে দক্ষিণাপথে উপনিবেশ স্থাপনের রূপক মনে করেন। দক্ষিণাপথের লোকেও তাঁকে দ্রাবিড়জাতির প্রথম জ্ঞানোপদেষ্টা বলে। ডা. কলডোয়েল অগস্ত্যমুনির প্রাদুর্ভাবকাল খ্রীষ্ট পূর্ব ষষ্ঠ বা সপ্তম শতক অনুমান করেন। অগস্ত্য, খৃষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীর জনৈক তামিল গ্রন্থকার। ভারতকোষ, রাজকৃষ্ণ ও শরচ্চন্দ্র শাস্ত্রী প্রণীত অভিধান [জ্যোতিষ্শাস্ত্র] অগস্ত্য নক্ষত্র (যার উদয়ে শরৎ ঋতু সুচিত হয়); the canopus. শেষ। অনিঃশেষ।
অগস্ত্য [সংস্কৃত অগ (পর্বত)- স্তৈ (স্তম্ভিত করা) + অ (কর্তৃবাচ্য) যিনি সূর্যাদির গতি রোধকারী বিন্ধ্য পর্বতকে স্তম্ভিত করেছিলেন; দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস] বিশেষ্য অগস্তি; বেদ ও পুরাণে উল্লিখিত স্বনামখ্যাত মুনি; উর্বশীর উদ্দেশে মিত্রাবরুণনিষিক্ত তেজ হতে কুম্ভমধ্যে সম্ভূত খর্বাকৃতি মহর্ষি; পত্নী লোপামুদ্রা। (রামামায়ণ)। বিন্ধ্যপর্বত বর্ধিত হয়ে সূর্যের গতিরোধ করার উপক্রম করলে, তিনি বিন্ধের নিকট উপস্থিত হন, বিন্ধ্য স্বীয় গুরুকে নত হয়ে প্রণাম করলে, মুনি বলেন – ‘যাবৎ আমি প্রত্যাবৃত্ত না হই তাবৎ তুমি এই অবস্থায় থাক।’ এই বলে তিনি ভাদ্রমাসের প্রথম দিন দক্ষিণাপথে প্রস্থান করেন, আর ফিরেন নি। কেউ কেউ এই ঘটনাকে আর্যকর্তৃক বিন্ধ্য অতিক্রম করে দক্ষিণাপথে উপনিবেশ স্থাপনের রূপক মনে করেন। দক্ষিণাপথের লোকেও তাঁকে দ্রাবিড়জাতির প্রথম জ্ঞানোপদেষ্টা বলে। ডা. কলডোয়েল অগস্ত্যমুনির প্রাদুর্ভাবকাল খ্রীষ্ট পূর্ব ষষ্ঠ বা সপ্তম শতক অনুমান করেন। প্রয়োগ ‘শ্রীবৈকুণ্ঠে বিষ্ণু আসি কৈল দরশন মলয়পর্বতে কৈল অগস্ত্য বন্দন।‘ কৃষ্ণদাস কবিরাজ, ১৫৮০; ‘কলিকালে অগস্ত্য মুনি করিতেছেন কী?’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯১৭। খৃষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীর জনৈক তামিল গ্রন্থকার। ভারতকোষ, রাজকৃষ্ণ ও শরচ্চন্দ্র শাস্ত্রী প্রণীত অভিধান [জ্যোতিষ্শাস্ত্র] অগস্ত্য নক্ষত্র (যার উদয়ে শরৎ ঋতু সুচিত হয়); the canopus. ‘অগস্ত্য নক্ষত্রের উদয়ে শর ঋতুর শুরু হয়।‘ সেলিনা হোসেন, ১৯৭৫। শেষ। ‘সে ভাবে যে এই আমার অগস্ত্যযাত্রা …।‘ সমাচার দর্পণ, ১৮২৫। অনিঃশেষ। ‘অনন্ত অগস্ত্য-তৃষ্ণাকুল বিশ্ব-মাগা যৌবন আমার।‘ কাজী নজরুল ইসলাম, ১৯২৩।
অগস্ত্যযাত্রা [সংস্কৃত অগস্ত-যাত্রা] বিশেষ্য ভাদ্রের প্রথম দিনের যাত্রা; অগস্ত্য মুনি এই দিনে যাত্রা করে আর ফিরেননি বলে যাত্রাপক্ষে নিষিদ্ধ মাসের প্রথম দিন মাত্রই অগস্ত্য যাত্রা। কেহ অগস্ত্য যাত্রা করেছে বললে বুঝতে হবে, সে আর ফিরবে না; যে যাত্রা থেকে কেউ ফিরে আসে না। ‘সে ভাবে যে এই আমার অগস্ত্যযাত্রা …।‘ সমাচার দর্পণ, ১৮২৫।
Scroll Up