অকম্পন

অকম্পন

পুরাণ

রাবণের মাতুল। পিতা সুমালী ও মাতা কেতুমালী। দণ্ডকারণ্যে রামচন্দ্রের হাতে খর, দূষণ, ত্রিশিরা ও ১৪ হাজার রাক্ষস নিহত হলে অকম্পন রাবণকে এই দুঃসংবাদ দেন। এই সংবাদ পেয়ে রাবণ অত্যন্ত রাগান্বিত হলে অকম্পন রাবণকে বলেন যে, কোন দেবাসুরের এমন শক্তি নাই যে, তারা রামকে যুদ্ধে পরাজিত করতে সক্ষম হয়। রামকে মোহগ্ৰস্ত করে সীতাকে হরণ করবার প্ররোচনা ইনি দেন। রাম-রাবণের যুদ্ধে অকম্পন হনুমান-নিক্ষিপ্ত বৃহৎ বৃক্ষের আঘাতে নিহত হন। এর ভগিনী কুম্ভীনসী ও রাবণ-জননী কৈকেসী বা নিকষী। ধূম্রাক্ষ ও প্ৰহস্ত এঁর ভ্রাতা। [পৌরাণিক অভিধান]

অক্রূর

অক্রূর

সংজ্ঞা

  • ক্রূর নয় এমন৷

বিশেষ

  • অকুটিল, সরল, ক্রূতাহীন।

বিশেষ্য

  • শ্রীকৃষ্ণের পিতৃব্য (ইনি কিশোর শ্রীকৃষ্ণকে বৃন্দাবন থেকে মথুরায় নিয়ে গিয়েছিলেন)।

বুৎপত্তি

  • সংস্কৃৃত ন+ক্রূর।

পুরাণ

কৃষ্ণের পিতৃব্য। যদুবংশে শ্বফল্কের ঔরসে কাশীরাজ গান্ধিনীর গর্ভে এঁর জন্ম হয়। ইনি কৃষ্ণের পিতৃব্য। উগ্রসেনের এক কন্যাকে ইনি বিবাহ করেন এবং এঁর দুই পুত্ৰ হয়। অক্রূর এক সময়ে কংসের গৃহে ছিলেন। কৃষ্ণ ও বলরামকে হত্যা করার জন্য কংস ধনুযজ্ঞের অনুষ্ঠান করেন। কংস এই যজ্ঞে কৃষ্ণ ও বলরামকে আনবার জন্য বৃন্দাবনে অক্রূরকে পাঠান; কিন্তু ইনি কৃষ্ণের কাছে গিয়ে কংসের অত্যাচারের কাহিনী বর্ণনা করে তাঁর প্রকৃত উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত দিলেন এবং কংসের অত্যাচার থেকে যাদবদের রক্ষা করার জন্য কৃষ্ণকে অনুরোধ করলেন। পরে কৃষ্ণের হাতে কংসের বিনাশ হয়। কৃষ্ণের স্ত্রী সত্যভামার পিতা সত্ৰাজিতের “স্ত্যমন্তক’ নামে মণি ছিল। এই মণির সাহায্যে প্ৰত্যহ প্রচুর স্বর্ণ উৎপন্ন হত। শতধন্বা নামে এক ব্যক্তি সত্ৰাজিতকে হত্যা করে এই মণি হস্তগত করে। স্যমন্তক মণির জন্য কৃষ্ণ শতধন্বাকে উৎপীড়িত করলে সে গোপনে এই মণি অক্রূরকে দিয়ে পলায়ন করে। অতঃপর কৃষ্ণ শতকধন্বাকে বধ করেন। এই মণির গুণে অক্রূর ব্যয়সাধ্য যাগযজ্ঞ অনায়াসে সাধন করতে পারতেন। পাণ্ডবদের সম্বন্ধে ধৃতরাষ্ট্রের যথার্থ মনোভাব জানিবার জন্য কৃষ্ণ অক্রূরকে হস্তিনাপুরে দৌত্যকার্যে পাঠিয়েছিলেন। যদুবংশ ধ্বংসকালে অক্রূরের জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। [পৌরাণিক অভিধান—সুধীরচন্দ্র সরকার]

অক্ষক্রীড়া

অক্ষক্রীড়া

পুরাণ

পাশা খেলা। হিন্দুশাস্ত্ৰে দ্যূতক্রীড়া নিষেধ আছে। মনুসংহিতার নবম অধ্যায়ে আছে—রাজা নিজ রাজ্য হতে দ্যূত ও সমাহবায় ক্রীড়া নিবারণ করবেন। এই দুই খেলা রাজাদের রাজ্যনাশের কারণ। নলরাজ ও যুধিষ্ঠির পাশা খেলে সর্বস্বান্ত হয়েছিলেন। ব্ৰহ্মপুরাণে কথিত আছে, মহাদেব এই খেলার সৃষ্টি করেন। তিনি পাৰ্বতীর সঙ্গে এই খেলা খেলতেন।

অক্ষপাদ

অক্ষপাদ

পুরাণ

বিখ্যাত দার্শনিক ঋষি। এর প্রকৃত নাম গৌতম। ব্যাসদেব গৌতম-লিখিত ন্যায়শাস্ত্রের নিন্দা করলে গৌতম ব্যাসের মুখদর্শন করবেন না বলে প্ৰতিজ্ঞা করেন। ব্যাসদেব ক্ষমা প্রার্থনা করলে গৌতম প্ৰসন্ন হন, কিন্তু প্ৰতিজ্ঞাভঙ্গের ভয়ে চক্ষুদ্বারা দর্শন না করে নিজের চরণের উপর চক্ষু সৃষ্টি করে ব্যাসের মুখদর্শন করেন। সেই হতে গৌতম অক্ষপাদ নামে খ্যাত। [পুরাণিক অভিধান]

অক্ষয়

অক্ষয়

পুরাণ

মন্দোদরীর গর্ভজাত রাবণের পুত্র। হনুমান সীতাকে অন্বেষণ করবার জন্য লঙ্কায় প্ৰবেশ করে সীতার সঙ্গে পরিচিত হন। পরে সীতার কাছ থেকে অভিজ্ঞান গ্ৰহণ করে ফিরবার সময় অশোকবন বিনষ্ট করেন। তখন রাবণ হনুমানকে দমন করবার জন্য পাঁচজন সেনাপতিকে প্রেরণ করেন। তাঁরা সকলেই হনুমানের হস্তে নিহত হলে রাবণ পুত্র অক্ষয়কে হনুমানের সঙ্গে যুদ্ধ করবার জন্য প্রেরণ করেন। অক্ষয়ও হনুমানের হস্তে নিহত হন। [পৌরাণিক অভিধান]

অক্ষয়তৃতীয়া

অক্ষয়তৃতীয়া

পুরাণ

বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া। কথিত আছে, এই দিনে সত্যযুগের উৎপত্তি হয়েছিল।

অক্ষৌহিণী

অক্ষৌহিণী

বিশেষ্য

  • পুরাণ অনুসারেযে সেনাদলে ১০৯,৩৫০টি পদাতি, ৬৫,৬১০টি অশ্ব, ২১৮৭০টি হস্তী ও ২১,৮৭০ খানি রথসহ মোট ২,১৮,৭০০ সৈন্য থাকে।
  • কোনো কোনো প্রাচীন সাহিত্যে অক্ষৌহিণী বলতে কোনো বিশেষ সংখ্যা না বুঝিয়ে সাধারণভাবে উচ্চ সংখ্যা বোঝানো হয়েছে।

বুৎপত্তি

  • সংস্কৃতি, অক্ষ (রথগজাদি অর্থে) + ঊহিনী (সমূহবিশিষ্ট)।

অগস্ত্য

অগস্ত্য

পুরাণ

ইনি বেদের একজন মন্ত্রদ্রষ্টা ঋষি। ঋকবেদে কথিত আছে, ইনি মিত্র অর্থাৎ তেজোময় সূর্য ও বরুণের পুত্র। আদিত্য-যজ্ঞে মিত্র ও বরুণ উর্বশীকে দেখে যজ্ঞকুম্ভের মধ্যে শুক্রপাত করেন। সেই কুম্ভে পতিত শুক্র হতে বশিষ্ঠ ও অগস্ত্যের জন্ম হয়। ভাগবতে অগস্ত্যকে পুলন্তের পুত্র বলা হয়। এর অনেক নামের মধ্যে কয়েকটি নাম এইরূপ-ইনি কুম্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে নাম হয় কলসীসুত, কুম্ভসম্ভব, ঘটোৎভব, কুম্ভযোনী, মিত্ৰ-বরুণের পুত্র বলে মৈত্রাবরুণি, সমুদ্র পান করেছিলেন বলে পীতাব্ধি, বাতাপিকে বিনাশ করেছিলেন বলে বাতাপিদ্বীট, উর্বশীর জন্য উর্বশীয়, মহাতেজ বলে আগ্নেয়, বিন্ধ্যকে শাসন করেছিলেন বলে বিন্ধ্যকূট, ক্ষুদ্রাকৃতি বলে তাঁর নাম মান। অগস্ত্য প্ৰতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তিনি চিরকাল কৃতদার থাকবেন, কিন্তু একদিন ভ্রমণ করতে করতে দেখতে পেলেন, তাঁর পিতৃপুরুষরা এক গুহার ভিতর অধোমুখে লম্বমান অবস্থায় অতি কষ্টে ঝুলছেন। জিজ্ঞাসা করে অগস্ত্য জানতে পারলেন, বংশরক্ষা না করলে তাঁদের সদ্গতির কোন আশা নেই। অগস্ত্য আশ্বাস দিলেন যে, পিতৃপুরুষগণের জন্য তিনি বংশরক্ষার ব্যবস্থা করবেন। তখন তিনি তপোবলে পৃথিবীর সমস্ত প্ৰাণীর সুন্দর ও শ্রেষ্ঠ অংশ গ্রহণ করে এক পরমাসুন্দরী নারী সৃষ্টি করলেন এবং তাকে বিদর্ভরাজের হাতে পালন করার ভার দিলেন। সেই থেকে এই কন্যার নাম হলো লোপামুদ্রা। কারণ, সমস্ত জীবের সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠ জিনিস এই নারী ‘লোপ’ করে নিয়েছেন। এই কন্যা যখন বড় হ’ল, তখন অগস্ত্য একে স্ত্রীরূপে প্ৰাৰ্থনা করলেন; বিদৰ্ভরাজ অনিচ্ছাসত্ত্বেও লোপমুদ্রাকে তাঁর হাতে দান করলেন।

কিছুদিন পরে লোপামুদ্রা একদিন ঋতুস্নান করে অগস্ত্যের কাছে এলে মুনি পুত্রোৎপাদনের জন্য এঁকে আহবান করলেন। লোপামুদ্রা তখন বললেন যে, পিতৃগৃহে যেরূপ অলঙ্কারভূষিত হয়ে শয্যায় শয়ন করতেন, সেইরূপ তাঁকে ভূষিত করতে ও মুনিকে ভূষিত হতে বললেন। অগস্ত্য তখন জানালেন যে, এইরূপ ধনরত্ন সংগ্ৰহ করা তার পক্ষে অসম্ভব। ঋতুকাল গত হবার সময় হয়েছে বলে অগস্ত্য অর্থ সংগ্রহের জন্য ভিক্ষায় বের হলেন। কিন্তু সব স্থান হতেই তিনি বিফলমনোরথ হয়ে ফিরে এলেন। তখন যে রাজারা তাকে অর্থ দিতে অসমৰ্থ হয়েছেন, তাঁরা তাঁকে দানবরাজ ইল্বলের কাছে যেতে বললেন। সেখানে অনেক ঘটনার পর ইল্বলভ্রাতা বাপাতীকে তিনি ধ্বংস করেন। অগস্ত্যের ক্ষমতা দেখে ইল্বল তাঁকে ধনদান করলেন। এই ধনরত্ন নিয়ে মুনি লোপামুদ্রার কাছে উপস্থিত হলেন। তখন লোপামুদ্রার মনস্কামনা পূর্ণ হওয়ায়, তিনি অগস্ত্যের কাছ হতে বীৰ্যবান পুত্র প্রার্থনা করলেন। এর ফলে দৃড়স্যু নামে এক শক্তিশালী পুত্রের জন্ম হয় এবং এই পুত্ৰই পূর্বপুরুষদের মুক্ত করেন। পুত্রের জন্মের পর অগস্ত্য কিছুদিন আশ্রমে বাস করে যোগবলে দেহত্যাগ করে নক্ষত্ৰলোক প্রাপ্ত হন।

অগস্ত্য বিন্ধ্যপর্বতের গুরু ছিলেন। বিন্ধ্যপর্বত একদিন ইচ্ছা করলেন, সূৰ্য যেমন উদয়াস্তকালে সুমেরু পর্বতকে প্ৰদক্ষিণ করেন, সেইরূপ বিন্ধ্যপর্বতও সুর্যকে প্ৰদক্ষিণ করবেন। সুর্য এতে অসম্মত হয়ে বলেন যে, তিনি বিশ্বনিয়ন্তার আদিষ্ট পথেই পরিভ্রমণ করেন এবং করবেন। বিন্ধ্য ক্ৰোধে হঠাৎ নিজের দেহ এমনভাবে বৃদ্ধি করতে লাগলেন যে, সুর্যের পথ রোধ হল। তখন দেবতারা ভীত হয়ে অগস্ত্যের শরণাপন্ন হলেন। অগস্ত্য ভক্তশিষ্য বিন্ধ্যের কাছে উপস্থিত হলে, বিন্ধ্য অবনত মস্তকে তাঁকে প্ৰণাম করলেন। অগস্ত্য বললেন, আমি যতক্ষণ প্ৰত্যাবর্তন না করি, ততক্ষণ তুমি এইরূপ মস্তক অবনত অবস্থায় থাক। বিন্ধ্যকে এই অবস্থায় রেখে অগস্ত্য ১লা ভাদ্র দক্ষিণাপথে যাত্রা করলেন এবং আর ফিরলেন না। এইরূপে দেবতারা বিন্ধ্যকে দমন করলেন। এ জন্য ১লা ভাদ্র শুভযাত্রার পক্ষে নিষিদ্ধ হয়ে আছে । ক্ৰমে সকল মাসের প্রথম দিনেই শুভযাত্রার পক্ষে নিষিদ্ধ হিসাবে পরিগণিত হয়। তাই প্ৰতি মাসের প্ৰথম দিনকে “অগস্ত্য-যাত্ৰা” বলা হয়।

কালকেয় নামে অসুররা বৃত্ৰাসুর বধের পর দেবতাদের ভয়ে সমুদ্রের মধ্যে পলায়ন করে প্রাণরক্ষা করে। এরা রাত্রে সমুদ্র হতে উঠে দেবতাদের উপর অত্যাচার করত। এই অসুরদের অত্যাচারে দেবতারা অগস্ত্যের শরণাপন্ন হন। দেবতাদের অনুরোধে অগস্ত্য সমুদ্রকে পান করে ফেলেন। সমুদ্র শোষণের পর অসুররা নিরাশ্রয় হয়ে দেবতাদের হাতে ধবংস হয়।

জনশ্রুতি আছে, অগস্ত্য দক্ষিণাকাশে নক্ষত্ররূপে চির-উজ্জ্বল হয়ে আছেন। তিনি শরৎকালের প্রথমে দক্ষিণাপথে গিয়েছিলেন বলে ভাদ্রের ১৭ কি ১৮ তারিখে আকাশে নক্ষত্ররূপে তার আবির্ভাব ঘটে থাকে।

ইন্দ্র একবার ব্ৰহ্মহত্যার পাপে সমুদ্রের ভিতর বাস করছিলেন, সেই সময় ধার্মিক রাজা নহুষকে ইন্দ্রের অভাবে স্বর্গের রাজা করা হয়। সিংহাসন অধিকার করে রাজা নহুষ ইন্দ্রের স্ত্রী শচীকে হস্তগত করতে চান। বৃহস্পতির উপদেশ অনুসারে শচী বললেন, রাজা নহুষ যদি সপ্তর্ষিচালিত রথে আরোহণ করে তাঁর কাছে আসেন, তবেই তিনি তাঁকে গ্ৰহণ করবেন। এই কথা অনুসারে ঋষিচালিত রথে রাজা নহুষ আসছিলেন। রথের একজন বাহক ছিলেন অগস্ত্য। হঠাৎ রাজার পা অগস্ত্যের দেহ স্পর্শ করে। এতে ঋষি অগস্ত্য ক্রুদ্ধ হয়ে রাজাকে “সৰ্প হও” এই অভিশাপ দেন। তৎক্ষণাৎ নহুষ রথ হতে পতিত হয়ে সৰ্পে পরিণত হন। অভিশাপগ্ৰস্ত নহুষ তখন অগস্ত্যের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। নহুষের একান্ত অনুরোধে ঋষি তাঁর অভিশাপকে সামান্য পরিবর্তন করেন। তারপর যুধিষ্ঠিরের সাহায্যে তিনি আবার নিজ মূর্তি ফিরে পান ও পুনরায় স্বৰ্গে ফিরে যান। বনবাসকালে রাম অগস্ত্যাশ্রমে উপস্থিত হলে অগস্ত্য একে বৈষ্ণবধনু, অক্ষয়তূণীর ও নানারকম মহাস্ত্ৰ দান করেন। [পৌরাণিক অভিধান]

অগস্ত্যযাত্রা

অগস্ত্যযাত্রা, আগস্ত্যযাত্রা

বিশেষ্য

  • যে যাত্রায় বিদেশযাত্রী আর ফিরে আসে না;
  • নিষিদ্ধ যাত্রা;
  • মাসের প্রথম দিনের যাত্রা;
  • শেষ যাত্রা, চিরপ্রস্থান।

পুরাণ

‘অগস্ত্য বা আগস্ত্য’ বেদের একজন ঋষির নাম। তিনি ‘সূর্য’ ও ‘বরুণ’-এর সন্তান এবং বিন্ধ্যপর্বতের গুরু ছিলেন।

একবার বিন্ধ্যপর্বতের এক অদ্ভুত ইচ্ছা হল। সূর্য তো উদয়াস্তকালে সুমেরু পর্বতকে প্রদক্ষিণ করে। বিন্ধ্যপর্বতের ইচ্ছা হল, সূর্য তাকেও এভাবে প্রতিদিন প্রদক্ষিণ করবে। তখন বিন্ধ্যপর্বত সূর্যকে গিয়ে সে কথা বলল। [ বিস্তারিত → ]

অগস্ত্যোদয়

অগস্ত্যোদয়

বিশেষ্য

ভাদ্র মাসের সতেরো বা আঠারো তারিখে অগস্ত্য নক্ষত্রের উদয়।