পরিচয়

  • – বাংলা ভাষার পঞ্চম ব্যঞ্জনবর্ণ এবং কণ্ঠ্য নাসিক্য ধ্বনি ঙ্-র লিখিত রূপ। বর্তমানে ঙ এবং ং (অনুস্বার) উচ্চারণে অভিন্ন। বহুক্ষেত্রে ঙ-র পরিবর্তে ং লিখিত হয়।

ব্যবহার

  1. – নাসিক্যযুক্ত ব্যঞ্জনের ক্ষেত্রে ক-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে ঙ যুক্ত হবে৷ যেমন: অঙ্ক, শঙ্খ, গঙ্গ ইত্যাদি৷
  2. – সন্ধিসম্ভব শব্দদ্বয়ের মধ্যে প্রথম শব্দের অন্ত্য ব্যঞ্জন ‘ম্’ ও দ্বিতীয় শব্দের আদ্য ব্যঞ্জন ক, খ, গ, ঘ হলে সন্ধিতে ‘ম্’-এর স্থলে ঙ ব্যবহৃত হয়, বিকল্পে ং ব্যবহৃত হয়৷ যেমন:-
    • – অহম্+কার=অহঙ্কার/অহংকার;
    • – সম্+কট=সঙ্কট/সংকট;
    • – সম্+গত=সঙ্গত/সংগত;
    • – সম্+গীত=সঙ্গীত/সংগীত;
    • – সম্+ঘটন=সঙ্ঘটন/সংঘটন;
    • – ভয়ম্+কর=ভয়ঙ্কর/ভয়ংকর;
    • – শুভম্+কর=শুভঙ্গকর/শুভংকর;
    • – পারম্+গম=পারঙ্গম/পারংগম;
    • – হৃদয়ম্+গম=হৃদয়ঙ্গম/হৃদয়ংগম৷ ইত্যাদি৷
  3. – সুসংহত মৌল বা একক (বা একাক্ষরিক) শব্দে সবসময় ঙ ব্যবহৃত হবে, ঙ স্থানে ং হবে না৷ যেমন: অঙ্ক, গঙ্গা, সঙ্গ, লিঙ্গ, বঙ্গ, পঙ্ক, ভঙ্গ, রঙ্গ, বঙ্কিম, পঙ্কিল, রঙ্গন, পঙ্গপাল, পঙ্গু, ভঙ্গুর ইত্যাদি৷