বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধান

bangla-bhashar-bibartanmulak-abhidhan

প্রথম খণ্ডের প্রচ্ছদ

নাম: বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধান
খণ্ড: প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড
সঙ্কলক: গোলাম মুরশিদ
প্রকাশক: বাঙলা একাডেমি, ঢাকা, বাংলাদেশ৷

মূল্যায়ণ: প্রায় সোয়া লাখ শব্দের সংযোজন করে প্রকাশিত হয়েছে বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধান নামের তিন খণ্ডের বই। শব্দের কী রূপ? শব্দের খেলা কেমন, কারা তার খেলোয়াড়, এর শেষ আছে কিনা এরকম প্রশ্নেরই উত্তর মিলছে অভিধানটিতে। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত অভিধানটি সম্পাদনা করেছেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ। [ বিস্তারিত → ]

বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান

043নাম: বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান
সঙ্কলক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
প্রকাশক: বাংলা একাডেমী

মূল্যায়ণ: ১৯৬৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত পূর্ব পাকিস্তানের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান (পরবর্তী নাম বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান) প্রতিষ্ঠানটির এক ঐতিহাসিক অবদান। এই কীর্তির নেতৃপুরুষ ছিলেন নানা বিদ্যা ও ভাষায় অতুলনীয় পাণ্ডিত্যের অধিকারী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্। তিনি নেতৃত্ব না দিলে এ ধরনের একটি বিশাল, জটিল ও শ্রমসাধ্য সূক্ষ্ম পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজ করা সম্ভব হতো কি না, বলা মুশকিল। ড. মুহম্মদ এনামুল হক, মুহাম্মদ আবদুল হাই, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, ড. কাজী দীন মুহাম্মদ প্রমুখ ভাষা বিশেষজ্ঞকে উপদেষ্টা করে এ কাজটি তিনি দক্ষ হাতে সম্পন্ন করেন। [ বিস্তারিত → ]

বাংলা স্ল্যাং সমীক্ষা ও অভিধান

bangla-slungনাম: বাংলা স্ল্যাং সমীক্ষা ও অভিধান

সঙ্কলক: অভ্র বসু।

বাংলাভাষায় স্ল্যাং বিষয়ক গবেষণা বিশেষ হয়নি। স্ল্যাং সম্পর্কিত ধারণাও বাংলায় খুব স্পষ্ট নয়। সাধারণত স্ন্যাং বলতে অশ্লীল বা অশিষ্ট শব্দকেই বোঝানো হয়ে থাকে। অশ্লীল বা অশিষ্ট শব্দ স্ল্যাং নিশ্চয়ই, কিন্তু তা স্ল্যাং-এর একটা অংশমাত্র। অশ্লীল স্ল্যাং ছাড়াও স্ল্যাং-এর বিচিত্র ধরনকে ধরবার চেষ্টা করেছি। সেই কারণেই স্ল্যাং-এর সীমানা ইত্যাদি বিষয়কে স্পষ্ট করবার চেষ্টা করেছি। বাংলায় স্ল্যাং শব্দটির কোনো সন্তোষজনক পরিভাষা নেই। [ বিস্তারিত → ]

বঙ্গীয় শব্দকোষ

IMG-236x300গ্রন্থের নাম: বঙ্গীয় শব্দকোষ
লেখক: শ্রী হরিচরণ বন্দোপাধ্যায়
ধরন: বাংলা অভিধান
প্রথম প্রকাশ: ১৩৪১ বঙ্গাব্দ
অনুসৃতি: সাহিত্য অ্যাকাদেমি, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত৷

গ্রন্থ আলোচনা: বঙ্গীয় শব্দকোষ একটি বাংলা অভিধান। সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত এবং অধ্যাপক শ্রী হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক সঙ্কলিত এই অভিধান ১৩৪১ বঙ্গাব্দে কলকাতায় প্রথম প্রকাশিত হয় ও বিশ্বকোষ প্রেস থেকে মুদ্রিত হয়। হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিখিত বিবৃতি অনুসারে আনুমানিক ১৩১১ বঙ্গাব্দে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক শ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলা ভাষায় একটি অভিধান প্রণয়নের জন্য অনুরোধ করেন। সেই সময় তিনি কবিরই নির্দেশে ছাত্রদের পাঠার্থ সংস্কৃতপ্রবেশ গ্রন্থের রচনাকার্যে ব্যাপৃত ছিলেন। সেই কারণে পরে অর্থাৎ ১৩১২ বঙ্গাব্দে সংস্কৃতপ্রবেশ সমাপ্ত করে রবীন্দ্রনাথের অনুমতিক্রমে তিনি অভিধানরচনায় আত্মনিয়োগ করেন। [ বিস্তারিত → ]

ঢাকাইয়া কুট্টি ভাষার অভিধান

1464647496ঢাকাইয়া কুট্টি ভাষার অভিধান
সংকলন ও সম্পাদনা: মোশাররফ হোসেন ভূঞা
প্রকশনায়: ঐতিহ্য।

ঢাকার কুট্টিদের সম্বন্ধে বহু বাঙালিরই একটা ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে। অনেকেই মনে করেন, কুট্টিরা ঢাকার ঘোড়ার গাড়ির গাড়োয়ান। ওটাই তাদের একমাত্র পরিচয়। কিন্তু যাঁরাই ঢাকাকে জানেন, বা ঢাকার ভাষার ইতিহাসটা কিছুমাত্র জানেন, তাঁদের পক্ষে একথা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কেননা, কুট্টি বলতে ঢাকার ঘোড়ার গাড়ির গাড়োয়ানদেরই কেবল বোঝায় না।
[ বিস্তারিত → ]

গল্পে গাথায় ছন্দে বাংলা স্থাননাম

গল্পে গাথায় ছন্দে
বাংলা স্থাননাম*
সংকলক
সমরেন্দ্ৰনাথ চন্দ

ইতিপূর্বে গবেষণামূলক একটি পরিকল্পনার কাজ করবার সময় নদিয়া জেলার ‘চাকদা’ নামক স্থাননামের বুৎপত্তি সম্বন্ধে একটি রোচক গল্প নজরে আসে। ভগীরথ রথে চেপে স্বর্গীয় নদী গঙ্গাকে পথ দেখিয়ে পৃথিবীতে নিয়ে আসছেন। [ বিস্তারিত → ]

আদর্শ বাঙ্গালা অভিধান

আদর্শ বাঙ্গালা অভিধান

সুবলচন্দ্র মিত্র

পুরাতন ও আধুনিক বাঙ্গালা সাহিত্যে ব্যবহৃত সংস্কৃতমূলক সাধু শব্দ, সাধারণতঃ প্রচলিত গ্রাম্য শব্দ, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস, চণ্ডীদাস, বৃন্দাবনদাস, কৃষ্ণদাস, বলরাম, মুকুন্দরাম প্রভৃতি প্রাচীন কবিগণের কাব্যে ব্যবহৃত অথচ অধুনা অপ্রচলিত ও দুর্ব্বোধ্য শ্বদ, সর্ব্বদা ব্যবহৃত বহু হিন্দি, আরবী, পারশী, উর্দ্দু শব্দ ও বাঙ্গালা ভাষায় প্রচলিত যাবতীয় শব্দ এবং তাহার ব্যুৎপত্তি ও পরিচয়সহ তদর্থ সংবলিত৷

অপরাধ-জগতের ভাষা ও শব্দকোষ

aparadhঅপরাধ-জগতের ভাষা জানতে হলে অপরাধ-জগৎ, তার অধিবাসী এবং তাদের আচারব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা চাই। ভাষা মানব সভ্যতার মানচিত্র। বক্তার ভাষা তার পরিবেশ, মানসিক গঠন, শিক্ষাদীক্ষা সম্পর্কে অবহিত করে৷ ভাষাবিজ্ঞানের অনুবীক্ষণে ভাষাগোষ্ঠীর সামাজিক সাংস্কৃতিক রূপ ধরা যায় অথবা এই রূপটির সঙ্গে পরিচিতির জন্য ভাষা অন্যতম অবলম্বন বলে বিবেচিত হতে পারে। [ বিস্তারিত → ]