এযাবৎ 940 টি ভুক্তি প্রকাশিত হয়েছে।
ভুক্তি
আদ্যক্ষর
লিঙ্ক http://www.shabdakosh.org/?p=358
(ইঁঅঁ) বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণমালার দশম, চবর্গের পঞ্চম, অনুনাসিক বর্ণ। উচ্চারণস্থান তালু। অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হলে এর উচ্চারণ তালু ও নাসিকা সাহায্যে অনেকটা “ঙ্যঁ” মত হয়। কিন্তু চ বর্গের অন্য চারবর্ণের সাথে যুক্ত হলে ন্-বৎ হয়, যথা— ‘অঞ্চল, সঞ্চয়’ ইত্যাদি।
চলিত বাংলায় স্বতন্ত্র ব্যবহার নাই। কিন্তু প্রাচীন বাংলায় অনুনাসিক উচ্চারণ বা চন্দ্রবিন্দুস্থলে ভূরি ব্যবহার ছিল। ‘রাধাঞে’ (= রাধাএঁ = রাধায় = রাধাকে), কাহ্নাঞি, পাইঞাঁ’ ইত্যাদি। ‘নিশ্চয় জানিও মুঞি ভখিমু গরলে’, শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন, বড়ু চণ্ডীদাস; ‘পূর্ব্বে সুচিত্রা নাম ইঞির হব খ্যাতি’ (ইঞির = ইঁহার), সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা ১৩১৮ শকাব্দ। ‘তেঞি কিয়ে তেজবি কান’, গোবিন্দ দাস; আধুনিক বাংলা ‘আ, য়া, ইয়’ স্থলে প্রাচীন বাংলায় ‘ঞ’। ‘অমিঞা আগোরল’ গোবিন্দ দাস; এত বলি এক গ্রাস অন্ন হাতে লঞা; উঝালি ফেলিল আগে যেন ক্রুদ্ধ হঞা’ চৈতন্য চরিত; ‘দিঞাছিল’, উদ্ধবানন্দের রাধিকা মঙ্গল; একাক্ষর-কোষধৃত অর্থে প্রাচীন বাংলা পদ্যে ও গদ্যে এর স্বতন্ত্র কিন্তু বিরল ব্যবহার দৃষ্ট হয়।
বিশেষ্য অনুনাসিক বাদ্য বা কণ্ঠধ্বনি; তানপূরা আদি তত যন্ত্রের ঝঙ্কার। ইঞ্জিন আদির লৌহচক্রের ঘূর্ণন বা ঘর্ষণ শব্দ; ঘর্ঘর ধ্বনি; ঞকার গায়ন। শুক্রাচার্য্য। [সংস্কৃত অহম্ আমি আইঁ এঁ ঞ] এই আমি; এজনা। ‘ঞকার কারিণী, ঞ চরণে তোমার।’ বাসবদত্তা6 [সংস্কৃত] ক্রূর। ষণ্ড। স্বধর্মচ্যুত যোগী। 9 [তন্ত্রে] পরম কুণ্ডলী।
সম্পর্কিত ভুক্তি
আপনার জন্য প্রস্তাবিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll Up
WhatsApp chat