এযাবৎ 940 টি ভুক্তি প্রকাশিত হয়েছে।
ভুক্তি অই
আদ্যক্ষর
প্রয়োগ
অই [সংস্কৃত, অদস্ প্রথমা, বহুবচন — অমী = প্রাকৃত, অঈ; বৌদ্ধ বাংলায় অই (চর্যাপদ ২৬।২) = আধুনিক বাংলায় অই (পদ্যে ও সঙ্গীতে) = ঐ (গদ্যে এবং ছন্দার্থে পদ্যে)] সর্বনাম সে। ‘জখনে জন্মিল অই বাপের ভবনে।‘ মালাধর বসু, ১৫০০। সেই। ‘অই নিমিত্তে সদাই কলি মোর কর্মের ফল।‘ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, ১৬০০। বিশেষণ ওই। ‘অই ঠাকুরের কেশ শোভে নানা ফুলে।‘ বৃন্দাবন দাস, ১৫৮০। উচ্চারণ সাদৃশ্যের জন্য ‘অই’ স্থলে পদ্যে ‘ওই’ সংক্ষেপে ‘ও’ এবং ‘ঐ’ [ঐ, ও, ওই দ্রষ্টব্য] ব্রজবুলি, প্রাচীন-বৈষ্ণবসাহিত্য, ‘অই’ স্থলেও ‘ও’ এবং ‘উহ’। “উহ রসময়ী ইহ রসিক-শিরোমণি,” – জ্ঞান দাস। “ও নব জলধর অঙ্গ। ইহথির বিজুরী তরঙ্গ।”- গোবিন্দ দাসঅব্যয় পুরোভাগে; ইন্দ্রিয় গোচরে; সম্মুখে। “অই যে জগৎ জাগে, স্বদেশ অনুরাগে।” — আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ওখানে; যথায় বিরাজ করিতেছে ঠিক সেই স্থানে। “অই শশী অই খানে, এই স্থানে দুইজনে,” — হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় অদূরে। দূরে। অনন্য; নির্দিষ্ট। উক্ত; উল্লিখিত। স্মরণ সূচক। দোষ বা ভয় প্রর্দশন সূচক।
সম্পর্কিত ভুক্তি
আপনার জন্য প্রস্তাবিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll Up